জসীম উদ্দীন
এই যে তুমি খুন করছো মানুষ
এই যে তুমি খুন করছো মানুষ,এই যে তুমি রক্তে রাঙাও হাত,রক্ত কি আর ধর্মের রঙ জানে?ধর্ম জানে রক্তের কোনো জাত?এই
কাজল চোখের মেয়ে
শোনো, কাজল চোখের মেয়ে,আমার দিবস কাটে, বিবশ হয়ে,তোমার চোখে চেয়ে।দহনের দিনে কিছু মেঘ কিনে,যদি ভাসে মধ্য দুপুর,তবু মেয়ে জানে,তার চোখ
আমরা কেউ কেউ ডাস্টবিন
ডাস্টবিনেরা কষ্ট জমা করে রাখে,অদ্ভুত সব কষ্ট। উচ্ছিষ্টের কষ্ট, অবশিষ্টের কষ্টঅপেক্ষার কষ্ট, উপেক্ষার কষ্টরাতের কিংবা ক্ষুধার্তের কষ্ট।ডাস্টবিন দেখে ঝকঝকে ডাইনিঙরাসুগন্ধি
শুন্য
তোমার জন্য যতটা পথ হেঁটেছিততটা পথ হাঁটলেআমি পৌঁছে যেতে পারতাম জেরুজালেমআমার প্রিয়তম শহর।তোমার জন্য যতটা রাত কেঁদেছিততটা কান্নায় আমি ছুঁয়ে
মানুষ বড় অভিমানী
মানুষ বড় অভিমানী প্রাণীসে চায়,তার মন খারাপ হলেপ্রিয় মানুষটাকে না বললেওসে বুঝে ফেলুক।ফোন করে খানিক ম্লান গলায়‘হ্যালো’ বলতেই ওপারের মানুষটা
কতকাল ভালোবাসা হয় না নিজেকে
কতকাল ভালোবাসা হয় না নিজেকে।অথচ, যেই মানুষটা উধাও হলো একলা রেখে,তার জন্য বুকের ভেতর কান্না জমে,রাত্রি জানে ঘুম জমে না
যেতে চাইলে যেও
যেতে চাইলে যেওনিয়ম করে বুকের ব্যথার ওষধটুকু খেও।রোজ সকালে ঘুমটা ভেঙে একটুখানি হেঁটো,সুখের সকল গল্প এবার যত্ন করে এঁটো। যেতে
আমি ভীষণ একলা মানুষ
আমি ভীষণ একলা মানুষ,আমি ভীষণ আমার ভেতর থাকি।যত্ন করে খুব খেয়ালে রোজ,‘আমি’টাকে আমার ভেতর রাখি আমি ভীষণ অভিমানের মেঘ,আমি ভীষণ ক্লান্ত
সেদিন
আমার একদিন সব হবে-খাঁ খাঁ রোগে তোমার মতন, অমন একটা ছাতা হবেবাদল দিনে বৃষ্টিভেজা, নীল মলাটের খাতা হবে।ভোরের বেলা পা
কেউ নেই
আমি ভাবতাম পথ হাঁটলেই পথ ফুরোবেকাঁটা ডিঙালেই শিশিরভেজা আস্ত গোলাপ।আমি ভাবতাম রাত পোহালেই সকাল হবে রোজ,
নির্বাসন
মেঘের ভেতর বৃষ্টি খুঁজতে গিয়েআমি নির্বাসিত নিদাঘ দহনেচাঁদের কাছে জোছনা ছাড়া আর কিছুই চাইনিঅথচ বৃষ্টি এলো উত্তুরে হাওয়ায় পৌষের হিমে।
একটা দুঃসংবাদ আছে
একটা দুঃসংবাদ আছে,যারা আমাকে ভেঙেচুরেটুকরো কাঁচের মতো ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলদুঃসংবাদটি তাদের জন্য যারা ভেবেছিলেআমি হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেআর কখনো উঠে