জসীম উদ্দীন
ছন্দরীতি
তোমাদের কথায় কথায় এতো ব্যকরণতোমাদের উঠতে বসতে এতো অভিধান,কিন্তু চঞ্চল ঝর্ণার কোনো ব্যাকরণ নেইআকাশের কোনো অভিধান নেই, সমুদ্রের নেই।ভালোবাসা ব্যাকরণ
সোনারতরী
গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা।রাশি রাশি ভারা ভারা ধান কাটা হল সারা,ভরা নদী ক্ষুরধারা খরপরশা
গভরমেন্টের টাকা
আম উঠেছে, জাম উঠেছে, কাঁঠাল পাকা-পাকা,কিন্তু কিছুই কেনা যাচ্ছে না, পকেটে নেই টাকা।‘কোথায় পাবো টাকা? কোথায় গেছে টাকা?’ ধমক দিয়ে
ক্ষেত মজুরের কাব্য
মুগর উঠছে মুগর নামছেভাঙছে মাটির ঢেলা,আকাশে মেঘের সাথে সূর্যেরজমেছে মধুর খেলা। ভাঙতে ভাঙতে বিজন মাঠেরকুয়াশা গিয়েছে কেটে,কখন শুকনো মাটির তৃষ্ণাশিশির
অমীমাংসিত রমনী
সদরঘাটে পৌছুতেই শুরু হয়ে গেলো বৃষ্টি,ছোট ছোট ফোঁটা হলে নিয়ে নিতাম মাথায়,কিন্তু বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ছিলো বেশ বড় সড়,তাই অগত্যা দৌড়ে
উল্লেখযোগ্য স্মৃতি
আমার ভালোবাসা কিংবা প্রেম-সংক্রান্তকোনো স্মৃতি নেই, যাকে ঠিক ভালোবাসাকিংবা প্রেম বলা যায়। একদিন টুকুদি নাকের ডগার বিন্দু বিন্দু ঘাম দেখেবলেছিল:
দন্ডকারণ্য
প্রায় ত্রিশ বছর পর আজ হঠাৎ রেখার চিঠি পেয়েআমি তো অবাক। পাছে চিনতে ভুল করি তাইনিজের পরিচয় দিয়েই রেখা শুরু
সেই রাত্রির কল্পকাহিনী
তোমার ছেলেরা মরে গেছে প্রতিরোধের প্রথম পর্যায়ে,তারপর গেছে তোমার পুত্রবধূদের হাতের মেহেদী রঙ,তারপর তোমার জন্মসহোদর, ভাই শেখ নাসের,তারপর গেছেন তোমার
কসাই
একদিন এক বিজ্ঞ কসাইডেকে বললোঃ ‘এই যে মশাই,বলুন দেখি, পাঁঠা কেন হিন্দুরা খায়,গরু কেন মুসলিমে?’আমি বললামঃ ‘ সে অনেক কথা,ফ্রেশ
আকাশ সিরিজ
শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,ঐ আনন্দে কেটে যাবে সহস্র জীবন।শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,অহংকারে মুছে যাবে সকল দীনতা।শুধু তোমাকে একবার ছোঁব,স্পর্শসুখে লিখা
আমি চলে যাচ্ছি
জয় করবার মতো একটি মনও যখন আর অবশিষ্ট নেই,তখন আমার আর বসে থেকে কী প্রয়োজন? আমি যাই।তোমরা পানপাত্র হাতে হোয়াং
টেলিফোনে প্রস্তাব
আমি জানি, আমাদের কথার ভিতরে এমন কিছুই নেই,অনর্থ করলেও যার সাহায্যে পরস্পরের প্রতি আমাদেরদুর্বলতা প্রমাণ করা সম্ভব। আমিও তো তোমার