সুকুমার রায়
কোন এক মাকে
“কুমড়ো ফুলে ফুলেনুয়ে পড়েছে লতাটা,সজনে ডাঁটায়ভরে গেছে গাছটা,আর, আমি ডালের বড়িশুকিয়ে রেখেছি—খোকা তুই কবে আসবি!কবে ছুটি?” চিঠিটা তার পকেটে ছিল,
ফাগুন এলেই
ফাগুন এলেই একটি পাখি ডাকেথেকে থেকেই ডাকেতাকে তোমরা কোকিল বলবে? বলো।আমি যে তার নাম রেখেছি আশানাম দিয়েছি ভাষা,কতো নামেই ‘তাকে’
একুশের গান
ওরা আমার মুখের কথাকাইড়া নিতে চায় ।ওরা কথায় কথায় শিকল পরায়আমার হাতে-পায় ।। কইতো যাহা আমার দাদায়কইছে তাহা আমার বাবায়এখন,
একুশের গান
একুশ মানেই আসছেসালাম ফিরে আসছে, বরকত ফিরে আসছেতাজুল ফিরে আসছে….একুশ মানেই মুক্তিযুদ্ধ ফিরে আসছেসেই সাহসে বুক-পেতে-দেয়া তারুণ্য ফিরে আসছেতারুণ্যের চোখে
একুশের কবিতা
ভিতরমহলে খুব চুনকাম, কৃষ্ণচূড়াএই তো ফোটার আয়োজনবাড়িঘর কী রকম যেন তাকে হলুদ অভ্যাসবশে চিনি,হাওয়া একে তোলপাড় করে বলে, একুশের ঋতু!ধীরে
স্মৃতিস্তম্ভ
স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু,আমরা এখনোচারকোটি পরিবারখাড়া রয়েছি তো । যে-ভিৎ কখনো কোনো রাজন্যপারেনি ভাঙতেহীরের মুকুট নীল পরোয়ানা