অমিতাভ দাশগুপ্ত

আমার নীরবতা আমার ভাষা

আমার হাতে কোনও শাবল ছিল না,বাটালিও নয়,তবু, এতদিন তিলে তিলে গড়ে তোলা দুর্গএক দুপুরের বৃষ্টিতে কীভাবে ধুয়ে গেল!আরওই বিশাল পাথুরে

বাকি অংশ »
জন্ম তারিখ২৫ নভেম্বর ১৯৩৫
জন্মস্থানফরিদপুর, বাংলাদেশ
মৃত্যু৩০ নভেম্বর ২০০৭

অমিতাভ দাশগুপ্ত জীবনী

অমিতাভ দাশগুপ্ত (২৫ নভেম্বর ১৯৩৫ – ৩০ নভেম্বর ২০০৭) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি, অধ্যাপক ও সাহিত্যসম্পাদক। তিনি তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই সাহিত্য ও কবিতার প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ ছিল। পরবর্তীকালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন এবং শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন।
অমিতাভ দাশগুপ্তের কবিতায় প্রেম, মানবিকতা, সমাজচেতনা ও সমকালীন জীবনের নানা অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর লেখায় ব্যক্তিগত আবেগের পাশাপাশি সমাজ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি সহজ অথচ গভীর ভাবপ্রকাশের মাধ্যমে বাংলা কবিতায় নিজস্ব স্থান তৈরি করেছিলেন।
কবিতা রচনার পাশাপাশি তিনি সাহিত্যসম্পাদনার কাজেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি কালান্তর পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীকালে পরিচয় পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে আমার নীরবতা আমার ভাষা বিশেষভাবে পরিচিত। এই কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি ১৯৯৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন বাংলা কবিতার জগতে অমিতাভ দাশগুপ্তের অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়। তাঁর কবিতা পাঠককে মানুষের জীবন, অনুভূতি ও সমাজের বাস্তবতা নিয়ে ভাবতে অনুপ্রাণিত করে। সাহিত্যচর্চা ও সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশে অবদান রেখেছেন। ২০০৭ সালের ৩০ নভেম্বর তাঁর জীবনাবসান ঘটে। তবে তাঁর সাহিত্যকর্ম বাংলা কবিতার পাঠক ও অনুরাগীদের কাছে আজও গুরুত্বপূর্ণ।

কবি অমিতাভ দাশগুপ্তের উল্লেখযোগ্য কবিতার নাম নিচে দেওয়া হলো।

 
Scroll to Top