পিতার কাশির মত ক্রমেই চলেছে বেড়ে
আমাদের মিহি দুঃখগুলো
ঘরোয়া যান্ত্রিক সুরে আষাঢ়ের বৃষ্টি হয়ে
এসেছে নেমে ভাগ্যের মসৃণ চালে।
উদ্ভিন্ন জীবন পেরিয়ে চলেছে আয়ুর সকল সীমারেখা
ঘর, বারান্দা, চৌকাঠে বেদনা বুনেছে শৈল্পিক কারুকাজ
গাছের শরীর থেকে আলো, পিতার শরীর থেকে ছায়া
ধীরে
যেতেছে
সরে
আর গূঢ় কোনো অন্ধকার ;
আমাদের ঢেকে দিচ্ছে নিষ্ঠুর দুই হাতে।
খো খো
মায়ের সঙ্গে ঠোঙা বানায়.,বিকেলে খেলে খো খো,বনগাঁ থেকে বার্লিনে যায়,সাধ্যি থাকে রোখো।মেয়ের বাবা সকাল-সন্ধেচৌমাথাতে হকার,ছোট বোনটি ফাইভে পড়ে,এখনও দাদা বেকার।তবুও