খান মুহাম্মদ মইনুদ্দীন
এখন মধ্যরাত
এখন মধ্যরাত।তখন দুপুরে রাজপথে ছিলো মানুষের পদপাত।মিছিলে মিছিলে টলমল ছিলো সারাদিন রাজধানী।এখন কেবল জননকূল ছল বুড়িগঙ্গার পানিশান্ত নীরব নিদ্রিত সব।ওই
কিছু শব্দ উড়ে যায়
কিছু শব্দ উড়ে যায়, কিছু শব্দ ডানা মুড়ে থাকে,তরল পারার মতো কিছু শব্দ গলে পড়ে যায়।এমন সে কোন শব্দ নক্ষত্রের
একেই বুঝি মানুষ বলে
নষ্ট জলে পা ধুয়েছো এখন উপায় কি?আচ্ছাদিত বুকের বোঁটা চুমোয় কেটেছি।কথার কোলে ইচ্ছেগুলো বাৎসায়নের রতি,মানে এবং অন্য মানে দুটোই জেনেছি।নষ্ট
নান্দী
এসো, ছিনিয়ে নি আমার স্বাধীনতাকথা বলবার স্বাধীনতা,অক্ষরের ডান পাশে অক্ষর বসিয়েশব্দগুলো তৈরী করবার স্বাধীনতাজীবনের স্তোত্র রচনার স্বাধীনতাঅর্থবহ এবং যুক্তিরজ্যোতির্ময় উচ্চারণ
নিরালা
বর্তমানে মুক্তকচ্ছ, ভবিষ্যৎ হোঁচটে ভরা,মাঝে মাঝে মনে হয়,দুর্মুখ পৃথিবীকে পিছনে রেখেতোমাকে নিয়ে কোথাও স’রে পড়ি |নদীর উপরে যেখানে নীল আকাশ
মুক্তি
হিংস্র পশুর মতো অন্ধকার এলো—তখন পশ্চিমের জ্বলন্ত আকাশ রক্তকরবীর মতো লালসে-অন্ধকার মাটিতে আনলো কেতকীর গন্ধ,রাতের অলস স্বপ্নএঁকে দিল কারো চোখে,সে-অন্ধকার
বিস্মৃতি
ভুলে যাওয়া গন্ধের মতোকখনো তোমাকে মনে পড়ে |হাওয়ার ঝলকে কখনো আসে কৃষ্ণচূড়ার উদ্ধত আভাস |আর মেঘের কঠিন রেখায়আকাশের দীর্ঘশ্বাস লাগে
নিঃশব্দতার ছন্দ
স্তব্ধরাত্রে কেন তুমি বাইরে যাও?আকাশে চাঁদ নেই, আকাশ অন্ধকার,বিশাল অন্ধকারে শুধু একটি তারা কাঁপে,হাওয়ায় কাঁপে শুধু একটি তারা। কেন তুমি
নাগরিক
মহানগরীতে এল বিবর্ণ দিন, তারপর আলকাতরার মতো রাত্রিআর দিনসমস্ত দিন ভরে শুনি রোলারের শব্দ,দূরে, বহুদূরে কৃষ্ণচূড়ার লাল, চকিত ঝলক, হাওয়ায়
কপোতাক্ষ নদ
সতত, হে নদ, তুমি পড় মোর মনে।সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে;সতত (যেমতি লোক নিশার স্বপনেশোনে মায়া- মন্ত্রধ্বনি) তব কলকলেজুড়াই
মাতৃভাষা
নিজাগারে ছিল মোর অমূল্য রতনঅগণ্য ; তা সবে আমি অবহেলা করি,অর্থলোভে দেশে দেশে করিনু ভ্রমণ,বন্দরে বন্দরে যথা বাণিজ্যের তরী |কাটাইনু
অনেক দিনের চেনা
দাড়িয়ে দুরে অনেকদিনের চেনা।আজকাল যার সঙ্গে থাকো, সে না।একলা তুমি কফিশপের ভেতরঝগড়া করে পালিয়ে এলে। সে তা।দাঁড়িয়ে আছে উল্টো ফুটপাতেআগের