সুকুমার রায়
আমি ভীষণ একলা মানুষ
আমি ভীষণ একলা মানুষ,আমি ভীষণ আমার ভেতর থাকি।যত্ন করে খুব খেয়ালে রোজ,‘আমি’টাকে আমার ভেতর রাখি আমি ভীষণ অভিমানের মেঘ,আমি ভীষণ ক্লান্ত
সেদিন
আমার একদিন সব হবে-খাঁ খাঁ রোগে তোমার মতন, অমন একটা ছাতা হবেবাদল দিনে বৃষ্টিভেজা, নীল মলাটের খাতা হবে।ভোরের বেলা পা
কেউ নেই
আমি ভাবতাম পথ হাঁটলেই পথ ফুরোবেকাঁটা ডিঙালেই শিশিরভেজা আস্ত গোলাপ।আমি ভাবতাম রাত পোহালেই সকাল হবে রোজ,
নির্বাসন
মেঘের ভেতর বৃষ্টি খুঁজতে গিয়েআমি নির্বাসিত নিদাঘ দহনেচাঁদের কাছে জোছনা ছাড়া আর কিছুই চাইনিঅথচ বৃষ্টি এলো উত্তুরে হাওয়ায় পৌষের হিমে।
একটা দুঃসংবাদ আছে
একটা দুঃসংবাদ আছে,যারা আমাকে ভেঙেচুরেটুকরো কাঁচের মতো ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলদুঃসংবাদটি তাদের জন্য যারা ভেবেছিলেআমি হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেআর কখনো উঠে
কবর
এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,পুতুলের বিয়ে