সুকুমার রায়
আরশোলা
আরশোলা রে আরশোলাদেখে আমার দ্বার খোলাউড়ে এসে বসলি জুড়েচার দেয়ালে কাছে দূরে,বসলি এসে ঝাঁকে ঝাঁকেআলমারিতে বইয়ের তাকে।করলি ঘরের পাড় ঘোলা,আরশোলা
আমায় নিয়ে যা
নীলে ঘোড়া নীলে ঘোড়া পক্ষিরাজের ছা,মেঘড়ুমাড়ুম আকাশপারে তা থৈ তা থৈ তা।মেঘের দোলায় চললি কোথায়, কোন সে অচিন গাঁ?আয়-না নেমে
আতা গাছে, ডালিম গাছে
আতা গাছে চারটি পাখি,ডালিম গাছে তিন-সাতটি পাখি মনের সুখে নাচে তা’ধিন ধিন।সাতটি পাখি সাতটি সুরে গান গেয়ে যায় রোজ,আতা গাছে,
আঁটুল বাঁটুল ছড়া
আঁটুল বাঁটুল শামলা সাঁটুল,শামলা গেছে হাটে।কুঁচবরন কন্যা যিনি,তিনি ঘুমান খাটে। খাট নিয়েছে বোয়াল মাছে,কন্যে বসে কাঁদে,ঘটি বাটি সব নিয়েছে,কিসে তবে
অতি কিশোরের ছড়া
তোমরা আমায় নিন্দে ক’রে দাও না যতই গালি,আমি কিন্তু মাখছি আমার গালেতে চুনকালি,কোনো কাজটাই পারি নাকো বলতে পারি ছড়া,পাশের পড়া
মেঘের খেয়াল
আকাশের ময়দানে বাতাসের ভরে,ছোট বড় সাদা কালো কত মেঘ চরে।কচি কচি থোপা থোপা মেঘেদের ছানাহেসে খেলে ভেসে যায় মেলে কচি