সুকুমার রায়
এখন আমার
আমার এখন নিজের কাছে নিজের ছায়া খারাপ লাগে…রাত্রিবেলা ট্রেনের বাঁশি শুনতে আমার খারাপ লাগেজামার বোতাম আটকাতে কি লাগে, কষ্ট লাগেতুমি
ঘুমোবার আগে
কাছে আগুন ছিলো নাআমি চাঁদের আগুনেশাদা সিগ্রেট জ্বালিয়ে বসেছিলাম কুয়াশায়!-কে ওখানে? শীতরাতে পৌষ-পাখির গলা শোনা গেলো জ্যোত্স্নায়,-কে ওখানে? পাখির কন্ঠের
জ্যোস্নায় তুমি কথা বলছো না কেন
প্রতিটি নতুন কথা বলাটাই হলো আমাদের প্রেম,প্রতিটি নতুন শব্দই হলো শিল্পকলার সীমাঃহে অসীমা তুমি কথা বলছো না কেন? ওষ্ঠে কাঁপন
তোমার মৃত্যুর জন্য
তোমার চোখের মতো কয়েকটি চামচ পড়ে আছে দ্যাখো প্রশান্ত টেবিলেআমার হাতঘড়িনীল ডায়ালের তারা জ্বলছে মৃদু আমারই কব্জিতে!ট্যুরিস্টের মতো লাগছে দেখতে
এপিটাফ
যতদূরে থাকো ফের দেখা হবে। কেননা মানুষযদিও বিরহকামী, কিন্তু তার মিলনই মৌলিক।মিলে যায় – পৃথিবী আকাশ আলো একদিন মেলে! এ
বিচ্ছেদ
আগুনে লাফিয়ে পড়ো, বিষ খাও, মরোনা হলে নিজের কাছে ভুলে যাওএত কষ্ট সহ্য করো না। সে তোমার কতদূর? কী এমন?