সুকুমার রায়
কাল্লু
নামাজ পড়া শেষ।আকাশে আধখানা নিয়তির মতো চাঁদএকটা সাদা এম্বাসেডর এসে দাঁড়াল কাল্লুর ঝুপড়িতে‘জয় শ্রীরাম’কাল্লু বলল- ‘জয় শ্রীরাম’।ওরা তিনজন ছিল। “কাল্লু
আমি কৃষ্ণকলি মাহাতো
আমি কৃষ্ণকলি মাহাতো এম.এ, পি.এইচ.ডি.আমার গা অমাবস্যাআমার চুল মেষ পালকের ফাল্গুনআমার পিঠ সাঁওতাল পরগনাআমার দুটো থাই –একটা বাঁকুড়া, একটা পুরুলিয়া।
একুশে
ভাষা বাঁচে নুন হলুদে, ভাষা বাঁচে নদীর বাঁকেমেয়েরাই আঁচল দিয়ে ভাষাটাকে বাঁচিয়ে রাখে। মেয়েরাই মাতৃভাষা , আমরা তো ফেব্রুয়ারিমেয়েরাই শীতলপাটি,
গঙ্গাকে আমিও মা বলি
আমি সেই রুকসানা ,গঙ্গাকে আমিও মা বলি।প্ল্যাস্টিকের ব্যাগে মোড়ানো মৃতদেহ,কোন ব্যাগে আমার বাবা?সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত আমি বাবাকে খুঁজছি।ঘাট থেকে ঘাটে
ইরাবতী আসে, ইরাবতী চলে যায়
ভালবাসা যদি বিপজ্জনক হয়অঘ্রাণ হবে রাত্রে হিরণ্ময়।হরিণ যখন হেমন্ত রাত পায়মানুষের পাপ কুয়াশায় ঢেকে যায় । চাঁদের ভেতর আমি নবান্ন
বেলুড়
আমি একটা কোনায় দাঁড়িয়ে দেখছিলাম।দুটি ছেলে গেরুয়া বসন পরেমন্দিরের সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠছিল।এত মন দিয়েআমি কাউকে সিঁড়ি স্নেহ করতে দেখিনিএত