সুকুমার রায়
বাঁশি
কিনু গোয়ালার গলি।দোতলা বাড়িরলোহার-গরাদে-দেওয়া একতলা ঘরপথের ধারেই।লোনা-ধরা দেওয়ালেতে মাঝে মাঝে ধসে গেছে বালি,মাঝে মাঝে স্যাঁতা-পড়া দাগ।মার্কিন থানের মার্কা একখানা ছবিসিদ্ধিদাতা
অন্তর মম বিকশিত করো
অন্তর মম বিকশিত করোঅন্তরতর হে।নির্মল করো উজ্জ্বল করো,সুন্দর করো হে।জাগ্রত করো, উদ্যত করো,নির্ভয় করো হে।মঙ্গল করো, নিরলস নিঃসংশয় করো হে।অন্তর
নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ
আজি এ প্রভাতে রবির করকেমনে পশিল প্রাণের ‘পর,কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত-পাখির গান!না জানি কেন রে এতদিন পরে জাগিয়া উঠিল
দুঃসময়
যদিও সন্ধ্যা আসিছে মন্দ মন্থরে,সব সংগীত গেছে ইঙ্গিতে থামিয়া,যদিও সঙ্গী নাহি অনন্ত অম্বরে,যদিও ক্লান্তি আসিছে অঙ্গে নামিয়া,মহা আশঙ্কা জপিছে মৌন
সন্ধ্যা ও প্রভাত
এখানে নামল সন্ধ্যা। সূর্যদেব, কোন্ দেশে, কোন্ সমুদ্রপারে, তোমার প্রভাত হল।অন্ধকারে এখানে কেঁপে উঠছে রজনীগন্ধা, বাসরঘরের দ্বারের কাছে অবগুণ্ঠিতা নববধূর
দুজনে দেখা হল
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে–কেন কথা কহিল না, চলিয়া গেল ধীরে॥নিকুঞ্জে দখিনাবায় করিছে হায়-হায়,লতাপাতা দুলে দুলে ডাকিছে ফিরে ফিরে॥দুজনের আঁখিবারি