সুকুমার রায়
সাধারণ মেয়ে
আমি অন্তঃপুরের মেয়ে,চিনবে না আমাকে।তোমার শেষ গল্পের বইটি পড়েছি, শরৎবাবু,“বাসি ফুলের মালা’।তোমার নায়িকা এলোকেশীর মরণ-দশা ধরেছিলপঁয়ত্রিশ বছর বয়সে।পঁচিশ বছর বয়সের
বাঁশিওআলা
“ওগো বাঁশিওআলা,বাজাও তোমার বাঁশি,শুনি আমার নূতন নাম”— এই বলে তোমাকে প্রথম চিঠি লিখেছি,মনে আছে তো?আমি তোমার বাংলাদেশের মেয়ে।সৃষ্টিকর্তা পুরো সময়
একটি দিন
মনে পড়ছে সেই দুপুরবেলাটি। ক্ষণে ক্ষণে বৃষ্টিধারা ক্লান্ত হয়ে আসে, আবার দমকা হাওয়া তাকে মাতিয়ে তোলে।ঘরে অন্ধকার, কাজে মন যায়
হঠাৎ দেখা
রেলগাড়ির কামরায় হঠাৎ দেখা,ভাবি নি সম্ভব হবে কোনোদিন।আগে ওকে বারবার দেখেছিলালরঙের শাড়িতেদালিম ফুলের মতো রাঙা;আজ পরেছে কালো রেশমের কাপড়,আঁচল তুলেছে
আমি যে বেসেছি ভালো এই জগতেরে
আমি যে বেসেছি ভালো এই জগতেরে;পাকে পাকে ফেরে ফেরেআমার জীবন দিয়ে জড়ায়েছি এরে;প্রভাত-সন্ধ্যারআলো-অন্ধকারমোর চেতনায় গেছে ভেসে;অবশেষেএক হয়ে গেছে আজ আমার
দুই পাখি
খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতেবনের পাখি ছিল বনে।একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে,কী ছিল বিধাতার মনে।বনের পাখি বলে, খাঁচার পাখি