সুকুমার রায়
১৪০০ সাল
আজি হতে শতবর্ষ পরেকে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানিকৌতূহলভরে,আজি হতে শতবর্ষ পরে!আজি নব বসন্তের প্রভাতের আনন্দেরলেশমাত্র ভাগ,আজিকার কোনো ফুল, বিহঙ্গের
শেষ চিঠি
মনে হচ্ছে শূন্য বাড়িটা অপ্রসন্ন,অপরাধ হয়েছে আমারতাই আছে মুখ ফিরিয়ে।ঘরে ঘরে বেড়াই ঘুরে,আমার জায়গা নেই–হাঁপিয়ে বেরিয়ে চলে আসি।এ বাড়ি ভাড়া
আমার একটা আকাশ আছে
কাশ ভর্তি অনেক আকাশ, আকাশ বেশুমারআমার একটা আকাশ আছে রঙ জানো কি তার?গাঢ় সবুজ আকাশ আমার অনিন্দ্যসুন্দরআমার কোনো ঘর-বাড়ি নেই
পুঁটির স্ট্যাটাস
অতীতকালে থাকতো না মাছ, গরিব লোকের পাতে।বাঁচতো গরিব কাঁচালংকা-পেঁয়াজ-পান্তাভাতে।খুব বড়জোড় জুটতো সাথে জল টলোমল ডালতাতেই গরিব গাপুস গুপুস সাবড়ে দিতো
হিমশিম ও ঘোড়ার ডিম
শিম খেতে ভালো লাগেতবে হিমশিম না।মুরগির ডিম খাইহর্স-এর ডিম না!পৃথিবীতে কোথাও কিডিম পাড়ে ঘোড়া? –না।তাহলে ‘ঘোড়ার ডিম’যুক্তিটা খোঁড়া না?যেই ঘোড়া
শিক্ষক শ্রীচরণ
হাতে নিয়ে ডাস্টার আর শাদা চকক্লাশে এসে ঢুকতেন প্রিয় শিক্ষক।জটিল অংক আর তার সমাধানলিখতেন বোঝাতেন প্রতিটি বিধান।কালো ‘ব্ল্যাক বোর্ডের’ কুচকুচে