সুকুমার রায়
আরও নিচে
সিংহাসন থেকে একটু নিচে নেমে, পাথরেরসিঁড়ির উপর বসে থাকিএকা, চিবুক নির্ভরশীলচোখ লোকচক্ষু থেকে দূরে।‘সম্রাটের চেয়ে কিছু কম সম্রাটত্ব’ থেকে ছুটি
কাজলা দিদি
বাঁশ-বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই,মাগো আমার শোলক বলা কাজলা-দিদি কই?পুকুর ধারে লেবুর তলে,থোকায় থোকায় জোনাক জ্বলে,ফুলের গন্ধে ঘুম আসে
তুমি যেখানেই যাও
তুমি যেখানেই যাওআমি সঙ্গে আছি।মন্দিরের পাশে তুমি শোনো নি নিঃশ্বাস?লঘু মরালীর মতো হাওয়া উড়ে যায়জ্যোৎস্না রাতে নক্ষত্রেরা স্থান বদলায়ভ্রমণকারিণী হয়ে
বহুদিন পর প্রেমের কবিতা
বুকের ভিতরে যেন মুচড়ে উঠলো একুশে এপ্রিলএকুশে এপ্রিল, ওকি চুলের ভিতরে কার ক্ষীণ বজ্রমুষ্টি?বিষম লোভের মধ্যে ছুটোছুটি – দূর শহর,
যদি নির্বাসন দাও
যদি নির্বাসন দাও, আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরী ছোঁয়াবোআমি বিষপান করে মরে যাবো ।বিষন্ন আলোয় এই বাংলাদেশনদীর শিয়রে ঝুঁকে পড়া মেঘপ্রান্তরে দিগন্ত
এখনো সময় আছে
তখন তোমার বয়স আশী, দাঁড়াবে গিয়ে আয়নায়নিজেই ভীষণ চমকে যাবে, ভাববে এ কে ? সামনে এ কোন ডাইনী ?মাথা ভর্তি