সুকুমার রায়
আমি কী রকম ভাবে বেঁচে আছি
আমি কী রকম ভাবে বেঁচে আছি তুই এসে দেখে যা নিখিলেশএই কী মানুষজন্ম? নাকি শেষপুরোহিত-কঙ্কালের পাশা খেলা! প্রতি সন্ধ্যেবেলাআমার বুকের
কেউ কথা রাখেনি
কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটলো, কেউ কথা রাখেনিছেলেবেলায় এক বোষ্টুমী তার আগমনী গান হঠাৎ থামিয়ে বলেছিলশুক্লা দ্বাদশীর দিন অন্তরাটুকু
দেশলাই কাঠি
আমি একটা ছোট্ট দেশলাইয়ের কাঠিএত নগণ্য, হয়তো চোখেও পড়ি নাঃতবু জেনোমুখে আমার উসখুস করছে বারুদ-বুকে আমার জ্বলে উঠবার দুরন্ত উচ্ছ্বাস;আমি
অনুভব
। ১৯৪০।অবাক পৃথিবী! অবাক করলে তুমিজন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশভূমি।অবাক পৃথিবী! আমরা যে পরাধীনঅবাক, কী দ্রুত জমে ক্রোধ দিন দিন;অবাক পৃথিবী!
পুরানো ধাঁধাঁ
বলতে পারো বড়মানুষ মোটর কেন চড়বে?গরীব কেন সেই মোটরের তলায় চাপা পড়বে?বড়মানুষ ভোজের পাতে ফেলে লুচি-মিষ্টি,গরীবরা পায় খোলামকুচি, একি অনাসৃষ্টি?বলতে
হে মহাজীবন
হে মহাজীবন, আর এ কাব্য নয়এবার কঠিন কঠোর গদ্যে আনো,পদ-লালিত্য-ঝঙ্কার মুছে যাকগদ্যের করা হাতুড়িকে আজ হানো।প্রয়োজন নেই কবিতার স্নিগ্ধতা-কবিতা তোমায়