সুকুমার রায়
কথা ছিলো সুবিনয়
কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত,রাখালেরা পুনর্বার বাশিঁতে আঙুল রেখেরাখালিয়া বাজাবে বিশদ।কথা ছিলো বৃক্ষের সমাজে কেউ কাঠের বিপনি খুলে
এক গ্লাস অন্ধকার হাতে
এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে বসে আছি।শুন্যতার দিকে চোখ, শুন্যতা চোখের ভেতরও–এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে বসে আছি।বিলুপ্ত বনস্পতির ছায়া,
ব্যাঙ্ককে বৃষ্টি
সেই ঝরঝর করে আকাশে ব্যালেরিনারাবাঙলার ঘাসের স্টেজে নরম নদীর কার্পেটে নামেটাপুর টুপুর খিলখিল করে নেচে খেলেসমস্ত দুপুর সকাল বিকেল কখনো
আজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে
আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে–মোর মুখ হাসে মোর চোখ হাসে মোর টগবগিয়ে খুন হাসেআজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে। আজকে আমার রুদ্ধ প্রাণের পল্বলে
কাস্তে
বেয়নেট হোক যত ধারালো—কাস্তেটা ধার দিয়ো, বন্ধু!শেল আর বম হোক ভারালোকাস্তেটা শান দিয়ো, বন্ধু।নতুন চাঁদের বাঁকা ফালিটিতুমি বুঝি খুব ভালোবাসতে
নুন
আমরা তো অল্পে খুশি,কী হবে দুঃখ করে?আমাদের দিন চলে যায়সাধারণ ভাতকাপড়ে। চলে যায় দিন আমাদেরঅসুখে ধারদেনাতেরাত্তিরে দুভায়ে মিলেটান দিই গঞ্জিকাতে।