নিরুদ্দেশ যাত্রা

অন্য একবার, উদ্দাম সমুদ্রে, ঝোড়ো আবহাওয়ায়
একটি নিমজ্জমান জাহাজের ডকে দাঁড়িয়ে দেখেছি
অপসৃয়মাণ উপকূলে,
তিমিরে আচ্ছন্ন,
একটি অচেনা পাহাড়ের সানুদেশে,
আমার মা’র কপালের টিপের মতন
আমার বোনের নাকফুলের মতন
জ্বলজ্বল করছে একটি গ্রাম।
‘ক্যাপ্টেন, ক্যাপ্টেন জাহাজ থামাও’।
না, আমি পারি নি চিৎকার করতে
অথচ আমার
হৃৎপিণ্ডে এখনো বেজে চলেছে জলের পর ঘর-ফেরা
ছিপ নৌকোর বৈঠার মতন! ‘ক্যাপ্টেন, ক্যাপ্টেন’
তিন তিনটে মহাদেশ থেকে
অন্তত ছ’বার উড়োজাহাজের টিকেট কিনেও
তোমাদের উঠোন পেরিয়ে
নিজস্ব আটচালার দিকে যাত্রা সাঙ্গ হয় নি এখনো।
তোমরা বিশ্বাস করো
ছয় বেহারার পালকিতে আমিও
চেপেছি একদা এবং ‘হুমনা হুমনা’
করতে করতে সেই গাঁয়ের নদীর
কিনার অবধি
পৌঁছে
‘পৃথিবীকে মায়াবী নদীর তীরে এক দেশ বলে
আমারও হয়েছে মনে’
কিন্তু আমি
সেখানে আমার গাঁ কিংবা শহর
কিংবা বাড়ি কিছুই এখনো খুঁজে পেলাম না।

শেয়ার করুনঃ

প্রাসঙ্গিক

নিষিদ্ধ জার্নাল থেকে

ভোরের আলো এসে পড়েছে ধ্বংসস্তূপের ওপর।রেস্তোরাঁ থেকে যে ছেলেটা রোজপ্রাতরাশ সাজিয়ে দিত আমার টেবিলেরাস্তার মোড়ে তাকে দেখলাম শুয়ে আছে রক্তাপুত

বাকি অংশ »

তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা

ভয় নেইআমি এমনব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনীগোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়েমার্চপাস্ট করে চলে যাবেএবং স্যালুট করবেকেবল তোমাকে প্রিয়তমা।ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা

বাকি অংশ »

নিষিদ্ধ জর্নাল থেকে

ভোরের আলো এসে পড়েছে ধ্বংসস্তুপের উপররেস্তোরাঁ থেকে যে ছেলেটা রোজপ্রাতঃরাশ সাজিয়ে দিতো আমার টেবিলেতে-রাস্তার মোড়ে তাকে দেখলাম শুয়ে আছে রক্তাপ্লুত

বাকি অংশ »

সাম্প্রতিক সংযোজন

Scroll to Top