জসীম উদ্দীন

ফুটবল খলোয়াড়

আমাদের মেসে ইমদাদ হক ফুটবল খেলোয়াড়,হাতে পায়ে মুখে শত আঘাতের ক্ষতে খ্যাতি লেখা তার।সন্ধ্যা বেলায় দেখিবে তাহারে পটি বাঁধি পায়ে

বাকি অংশ »

নিমন্ত্রণ

তুমি যাবে ভাই – যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়,গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়;মায়া মমতায় জড়াজড়ি করিমোর গেহখানি

বাকি অংশ »

অনুরোধ

তুমি কি আমার গানের সুরের পূবালী বাতাস হবে, তুমি কি আমার মনের বনের বাঁশীটি হইয়া রবে! রাঙা অধরের রামধনুটিরে, ছড়াবে

বাকি অংশ »

আলাপ

ঘুমপাড়ানী ঘুমের দেশে ঘুমিয়ে দুটি আঁখি,মুখেতে তার কে দিয়েছে চাঁদের হাসি মাখি।পা মেজেছে চাঁদের চুমোয়, হাতের ঘুঠোয় চাঁদ,ঠোঁট দুটিতে হাসির

বাকি অংশ »
জন্ম তারিখ১ জানুয়ারি ১৯০৩
জন্মস্থানফরিদপুর
মৃত্যু১৪ মার্চ ১৯৭৬

জসীম উদ্দীন জীবনী

জসীম উদ্দীন (১ জানুয়ারি ১৯০৩ – ১৪ মার্চ ১৯৭৬) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। তিনি ‘পল্লীকবি’ নামে সুপরিচিত। তিনি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আনসার উদ্দীন মোল্লা ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক।
জসীম উদ্দীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি গ্রামবাংলার প্রকৃতি, মানুষের জীবনযাত্রা, প্রেম, বিরহ, লোকসংস্কৃতি ও সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ নিয়ে কবিতা রচনা করেছেন। তাঁর কবিতায় বাংলার পল্লিজীবনের সহজ-সরল চিত্র অত্যন্ত আবেগময়ভাবে ফুটে উঠেছে।
তাঁর বিখ্যাত রচনার মধ্যে নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট ও রাখালী উল্লেখযোগ্য। তাঁর কবর কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এ ছাড়া আসমানী, প্রতিদান ও নিমন্ত্রণ কবিতাগুলোও পাঠকমহলে বিশেষভাবে পরিচিত।
জসীম উদ্দীন শুধু কবি ছিলেন না, তিনি লোকসাহিত্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি একুশে পদকসহ বিভিন্ন সম্মাননা লাভ করেন। ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও বাঙালির হৃদয়ে অমর হয়ে আছে।

ফুটবল খলোয়াড়

আমাদের মেসে ইমদাদ হক ফুটবল খেলোয়াড়,হাতে পায়ে মুখে শত আঘাতের ক্ষতে খ্যাতি লেখা তার।সন্ধ্যা বেলায় দেখিবে তাহারে পটি বাঁধি পায়ে

বাকি অংশ »

নিমন্ত্রণ

তুমি যাবে ভাই – যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়,গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসী বনের বায়;মায়া মমতায় জড়াজড়ি করিমোর গেহখানি

বাকি অংশ »

অনুরোধ

তুমি কি আমার গানের সুরের পূবালী বাতাস হবে, তুমি কি আমার মনের বনের বাঁশীটি হইয়া রবে! রাঙা অধরের রামধনুটিরে, ছড়াবে

বাকি অংশ »

আলাপ

ঘুমপাড়ানী ঘুমের দেশে ঘুমিয়ে দুটি আঁখি,মুখেতে তার কে দিয়েছে চাঁদের হাসি মাখি।পা মেজেছে চাঁদের চুমোয়, হাতের ঘুঠোয় চাঁদ,ঠোঁট দুটিতে হাসির

বাকি অংশ »
Scroll to Top