আর এক আরম্ভের জন্যে
আমি বিষের পাত্র ঠেলে দিয়েছিতুমি প্রসন্ন হও। আমি হাসি আর কান্নার পেছনে আমার প্রথম স্বপ্নকে ছুঁয়েছিতুমি প্রসন্ন হও। আমি অরণ্যের […]
আমি বিষের পাত্র ঠেলে দিয়েছিতুমি প্রসন্ন হও। আমি হাসি আর কান্নার পেছনে আমার প্রথম স্বপ্নকে ছুঁয়েছিতুমি প্রসন্ন হও। আমি অরণ্যের […]
আকাশে কোনোই আড়ম্বর নেইতবু এই মুহুর্তটা পেখম তুলে নাচেগুমট ভেঙ্গে ঠান্ডা হাওয়া ছড়ায়।বাহবা তো দিতেই হয়কেন না এই কুহকধুসর পর্দা
নানা গোপনতার মধ্যে আমি বাস করি,আমার পায়ের আঙুলে রেগে নুড়ি বাজলে আমি শুনি ঝর্ণাসে-আওয়াজ কি আর কারো কাছে পৌঁছয়?একটা ঝিঁঝির
সময়কে নিয়ে অনেক মজা দেখা গেল।কখনও তাকে ইন্দ্রধনুর রঙে রাঙানো হল,কখনও হাসিতে উছলে তোলা হলবা চাপা কান্নায় কাঁপানো হল,কখনও-বা তাকে
তোমাকে এই স্বরব্যঞ্জনে রেখেছি,তুমি তো মাঠের মেয়েখঞ্জনার নাচের মেয়ে,তুমি ডানা ঝাপটাচ্ছ অনবরত ।আর কতক্ষনই-বা তুমি থাকবে এখানেআমার এই কলমের নীচে?
সব সময় বিপ্লবের কথা না ব’লেযদি মাঝে মাঝে প্রেমের কথা বলি—আমাকে ক্ষমা করবেন, কমরেডস।সব সময় ইস্তেহার না লিখেযদি মাঝে মাঝে
এসো। ছোঁও।সম্পূর্ণ পাথর হয়ে গেছি কিনা, দ্যাখো।পাথরের বুক থেকে মাংস নাও,পাঁজরের রিডে রিডে চাপ দাও দশটি আঙুলে, আমাকে বাজাও তুমি বিঠোফেন-বালিকার হাত, বলো— আমি প্রত্ন
মেঘের খোঁপায় ফুটেছে আলোর ফুল,তোমাকে কি দেব অনন্য উপহার ?কোন ঘাটে পারহ’তে চেয়েছিলে খুঁজে অনুকুল হাওয়া,নাবিক বাছো নি, এ-নৌকো বেয়ে
স্টেন গানের বুলেটে বুলেটেআমার ঝাঁঝরা বুকের উপরে ফুটে উঠেছে যে মানচিত্র—তার নাম ভারতবর্ষ। আমার প্রতিটি রক্তের ফোঁটা দিয়েচা-বাগিচায় কফি খেতে,কয়লা-খাদানে,
আজ রাতে যখন চারপাশ সুনসান,মশারির অনের নিচু থেকে অম্লজান টানার শব্দ,গলি-উপগলি-কানাগলির শিরায়, টানেলে ঝুপঝাপ অন্ধকার,গাড়িবারান্দার নীচে ঘর-ছুট্ মানুষ আর আকাশেরঅশ্রুর লবণ মিলে-মিশে একাকার, শ্যামবাজারের পঞ্চমুখী