আমার বিষন্ন সত্তা
কখনও কখনও আমার চোখ রক্তাভ হয়ে এলেআরসিএ ভবনের একেবারে উপরে উঠে যাই,আমার পৃথিবীর দিকে অপলক চেয়ে থাকি, ম্যানহাটান —ভবনগুলো, সড়কগুলো, […]
কখনও কখনও আমার চোখ রক্তাভ হয়ে এলেআরসিএ ভবনের একেবারে উপরে উঠে যাই,আমার পৃথিবীর দিকে অপলক চেয়ে থাকি, ম্যানহাটান —ভবনগুলো, সড়কগুলো, […]
আমার জন্মের সঙ্গে জেগে ওঠ ভাই আমারগভীর থেকে বাড়িয়ে দাও তোমার মলিনহাত ।এইসব পাথরের দৃঢ় শাসন থেকে ফিরবেনা তুমি।পাতালের সময়
তোমার প্রসঙ্গ উঠে আসে, পুষ্প-ফোটা উদ্যানে উদ্যানেআমি তো আহত হই, বসন্তের সুমিষ্ট সুবাসে।আমি তো গিয়েছি ভুলে ওই মুখ, আজ আর
রাজা এবং নেতার চলার পথের পাশে অন্তরের দীনতায় ক্ষুদ্র ঘাসের মতো অস্তিত্ব আমার। শক্তিমানের স্বপ্নে প্রসারিত পথের পাশে নিরন্তর সময়ের
স্বর্গ যদি আসে নেমেচারণভূমিতেআমি হেলে বসিদুই তারার মূর্তিতে আমি ভুলে যাই ওসবভাবি আমি নিয়মের মুকুটব্যবসার পালস্না আর সত্যের সীমাখুব কঠিন
আজ বসন্তে এসেছে এক নীল প্রজাপতি দিনএবং তাদের ডানায় ডানায় বিক্ষোভতাদের ডানায় অমিশ্রিত বর্ণযদি ত্বরায় না যায় সে, মেটাবে তাদের
কেউ বলে এই পৃথিবী ধ্বংস হবে আগুনেকেউ বলে বরফেআমার কিছু আকাঙ্ক্ষা আছে বলায়আমি তারই সাথে যে-আগুনের পক্ষেকিন্তু আমার মনে হয়
দুটি পথ গেছে বেঁকে দুটি হলুদ বনেএকটি মাত্র পথিক হলেযতদূর যায় চোখ চেয়ে রইলাম একদৃষ্টেযেখানে গুল্মময় এক ঝোপ গেছে বেঁকে
আমি বসে আছিযেন মনে হয় সর্বদাহাডসনের তীরে আছিএবং অনেক দূরের কোনো বিষয়একটি ছোট খাদিএবং একটি পায়েচলা পথ ছাড়াআর কিছু নয়
স্বাধীনতা তুমিরবিঠাকুরের অজর কবিতা, অবিনাশী গান।স্বাধীনতা তুমিকাজী নজরুল ঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানোমহান পুরুষ, সৃষ্টিসুখের উল্লাসে কাঁপা-স্বাধীনতা তুমিশহীদ মিনারে অমর একুশে