শঙ্খমালা
কান্তারের পথ ছেড়ে সন্ধ্যার আঁধারেসে কে এক নারী এসে ডাকিল আমারে,বলিল , তোমারে চাই :বেতের ফলের মতো নীলাভ ব্যথিত তোমার […]
কান্তারের পথ ছেড়ে সন্ধ্যার আঁধারেসে কে এক নারী এসে ডাকিল আমারে,বলিল , তোমারে চাই :বেতের ফলের মতো নীলাভ ব্যথিত তোমার […]
গভীর হাওয়ার রাত ছিল কাল— অসংখ্য নক্ষত্রের রাত;সারা-রাত বিস্তীর্ণ হাওয়া আমার মশারিতে খেলেছে;মশারিটা ফুলে উঠেছে কখনও মৌসুমী সমুদ্রের পেটের মতো,কখনও
কচি লেবুপাতার মতো নরম সবুজ আলোয়পুথিবী ভরে গিয়েছে এই ভোরের বেলা;কাঁচা বাতাবির মতো সবুজ ঘাস-তেমনি সুঘ্রাণ-হরিণেরা দাঁত দিয়ে ছিড়ে নিচ্ছে।আমারো
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বলএই জীবনের পদ্মপাতার জল;তবুও এ-জল কোথা থেকে এক নিমিষে এসেকোথায় চ’লে যায়;বুঝেছি আমি তোমাকে ভালোবেসেরাত ফুরোলে পদ্মের
আমার এ গানকোনোদিন শুনিবে না তুমি এসে–আজ রাত্রে আমার আহ্বান ভেসে যাবে পথের বাতাসে–তবুও হৃদয়ে গান আসে!ডাকিবার ভাষা তবুও ভুলি
একুশ কি মা ?একুশ ?একুশ একটা পাখির জন্মদিন ।পাখি !ওর কি নাম ? কি রঙ ?ওর নাম বাংলা ভাষা ।আর
এই বর্ষায় হাতে কদম দিয়েযদি কেউ ভালোবাসি বলতকেউ যদি দেখে জ্বলে? তবে তার ইচ্ছে,সে জ্বলত। যদি হাওয়া আসত, উড়িয়ে দিত
আমি ভাবছি, যদি মেয়েরা মা নামের টিপ,স্ত্রী নামের শিকল, মেয়ে নামের হাতঘড়ি,বোন নামের চুড়ি-টুড়ি খুলেএকদিন দুম করে বলে ফেলে,‘আমরা কারো
এই যে তুমি বার বার চলে যাই বলোধরো তুমি চলে গেছোখানিকক্ষণ পর ফিরে এসে যদি দেখোকষ্টে ভিজে যাচ্ছে আমার বুকআমার
এতোটুকু স্নেহ আর মমতার জন্য আমি কতোবারনিঃস্ব কাঙালের মতো সবুজ বৃক্ষের কাছে যাই-হে বৃক্ষ আমাকে তুমি এতোটুকু ভালোবাসা দাও,বনস্পতি আমাকে