উপেক্ষা
অনন্ত বিরহ চাই, ভালোবেসে কার্পণ্য শিখিনি৷তোমার উপেক্ষা পেলে অনায়াসে ভুলে যেতে পারিসমস্ত বোধের উত্স গ্রাস করা প্রেম; যদি চাওভুলে যাবো, […]
অনন্ত বিরহ চাই, ভালোবেসে কার্পণ্য শিখিনি৷তোমার উপেক্ষা পেলে অনায়াসে ভুলে যেতে পারিসমস্ত বোধের উত্স গ্রাস করা প্রেম; যদি চাওভুলে যাবো, […]
আবার যখনই দেখা হবে, আমি প্রথম সুযোগেইবলে দেব স্ট্রেটকাটঃ ‘ভালোবাসি’।এরকম সত্য-ভাষণে যদি কেঁপে ওঠে,অথবা ঠোঁটের কাছে উচ্চারিত শব্দ থেমে যায়,আমি
পাঁজরে প্রবিষ্ট প্রেম জেগে ওঠে পরাজিত মুখে,পতিগৃহে যেরকম পুরোনো প্রেমিকস্বামী ও সংসারে মুখোমুখি ।প্রত্যাখ্যানে কষ্ট পাই,–ভাবি, মিথ্যে হোকসত্যে নাই পাওয়া
আবার একটা ফুঁ দিয়ে দাও,মাথার চুল মেঘের মতো উড়ুক ।আবার একটা ফুঁ দিয়ে দাও,স্বপ্নগুলো ছায়ার মতো ঘুরুক । আবার একটা
নেকাব্বর জানে তাঁর সম্পত্তির হিসাব চাইতে আসবে নাকেউ কোনোদিন।এই জন্মে শুধু একবার চেয়েছিল একজন, ‘কী কইরাপালবা আমারে,তোমার কী আছে কিছু
একদি চাঁদ উঠবে না, সকাল দুপুরগুলোমৃতচিহ্নে স্থির হয়ে রবে;একদিন অন্ধকার সারা বেলা প্রিয় বন্ধু হবে,একদিন সারাদিন সূর্য উঠবে না। একদি
কতবার যে আমি তোমোকে স্পর্শ করতে গিয়েগুটিয়ে নিয়েছি হাত-সে কথা ঈশ্বর জানেন।তোমাকে ভালোবাসার কথা বলতে গিয়েওকতবার যে আমি সে কথা
আমি জন্মেছিলাম এক বিষণ্ন বর্ষায়,কিন্তু আমার প্রিয় ঋতু বসন্ত । আমি জন্মেছিলাম এক আষাঢ় সকালে,কিন্তু ভালোবাসি চৈত্রের বিকেল । আমি
ঠিক সময়ে অফিসে যায়?ঠিক মতো খায় সকালবেলা?টিফিনবাক্স সঙ্গে নেয় কি?না ক্যান্টিনেই টিফিন করে?জামা কাপড় কে কেচে দেয়?চা করে কে আগের
বৃদ্ধা বললেন:‘আমার এক ছেলে গেছে,আরেক ছেলে কে নিয়ে যাকজমি আমি দেব না ওদের |এই যে হাত দু’টো দেখছো বাবা…’ব’লে তাঁর