একুশে
ভাষা বাঁচে নুন হলুদে, ভাষা বাঁচে নদীর বাঁকেমেয়েরাই আঁচল দিয়ে ভাষাটাকে বাঁচিয়ে রাখে। মেয়েরাই মাতৃভাষা , আমরা তো ফেব্রুয়ারিমেয়েরাই শীতলপাটি, […]
ভাষা বাঁচে নুন হলুদে, ভাষা বাঁচে নদীর বাঁকেমেয়েরাই আঁচল দিয়ে ভাষাটাকে বাঁচিয়ে রাখে। মেয়েরাই মাতৃভাষা , আমরা তো ফেব্রুয়ারিমেয়েরাই শীতলপাটি, […]
আমি সেই রুকসানা ,গঙ্গাকে আমিও মা বলি।প্ল্যাস্টিকের ব্যাগে মোড়ানো মৃতদেহ,কোন ব্যাগে আমার বাবা?সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত আমি বাবাকে খুঁজছি।ঘাট থেকে ঘাটে
ভালবাসা যদি বিপজ্জনক হয়অঘ্রাণ হবে রাত্রে হিরণ্ময়।হরিণ যখন হেমন্ত রাত পায়মানুষের পাপ কুয়াশায় ঢেকে যায় । চাঁদের ভেতর আমি নবান্ন
আমি একটা কোনায় দাঁড়িয়ে দেখছিলাম।দুটি ছেলে গেরুয়া বসন পরেমন্দিরের সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠছিল।এত মন দিয়েআমি কাউকে সিঁড়ি স্নেহ করতে দেখিনিএত
তোমাকে আমরা বাঁচাতে পারিনি দামিনীসারা দেশ জুড়ে আমরা কেঁদেছি, সারা দেশ জুড়ে আমরা ফুঁসেছি।ভারত রাষ্ট্র বাঁচাতে পারেনি তোমাকে।জন জোয়ারের চাপে
বিয়েতে একান্নটা শাড়ি পেয়েছিল মেয়েটাঅষ্টমঙ্গলায় ফিরে এসে আরো ছটাএতো শাড়ি একসঙ্গে সে জীবনে দেখেনি। আলমারির প্রথম থাকে সে রাখলো সব
মানুষের চোখ থেহে গড়িয়ে পড়া চোখের জলভালো লাগে না আমারসবচেয়ে বড় অপচয়ের নাম চোখের জলঅসহ্য, সরিয়ে নাও তোমার চোখ, আমি
রবীন্দ্ররচনাবলীর নবম খন্ড দিয়ে চাপা দেওয়া সুইসাইড নোট,ছেলেকে লেখা । লিখে, হাতে ব্লেড নিয়েবাথরুমে ঢুকেছিলেন মাস্টারমশাইদুপুরবেলা কাজের লোক দরজার তলা
তুমি যেদিন প্রথম এসেছিলে আমার কাছেতোমার হাতে মায়াকভ্ স্কিআর চোখেসকালবেলার আলো বিহার থেকে ফিরে এসে তুমি আবার এলেগলা নামিয়ে, বাষ্প
থানার বড়বাবু আমায় বলতো পাঁঠাছোটবাবু পেছনে লাথি মেরে বলতো,যা তো, সিগারেট নিয়ে আয়যেদিন মাইনে পেতাম, আমার দাদা এসেসব টাকা কেড়ে