সাবধানে যেও
শেষ দেখা পানপাত্র হাতে।বলেছিলে, ‘সাবধানে যেও’।শীত ছিল। আলখাল্লা গান…তোমার তো সুরই পরিধেয়। শেষ আড্ডা সারিগান নিয়ে।তুমি কথা বলছিলে মাটির –তোমারই […]
শেষ দেখা পানপাত্র হাতে।বলেছিলে, ‘সাবধানে যেও’।শীত ছিল। আলখাল্লা গান…তোমার তো সুরই পরিধেয়। শেষ আড্ডা সারিগান নিয়ে।তুমি কথা বলছিলে মাটির –তোমারই […]
তোমাকে ঈশ্বর মেনে আমার হয়েছে যত জ্বালা।যক্ষ হয়ে ঘুরে মরছি একই মহল্লায় সারারাতজেগেছে সরাইখানা, দূরে দূরে ম্লান পান্থশালা…প্রতিটি অক্ষর আজও
কখনও লাস্য, কখনও লড়াই তুমি।ভেঙেছিলে মিথ, মিথ্যের কারিগরিঅক্ষর স্থায়ী। কলমেরা মরসুমি।আমরা এখনও তোমারই কবিতা পড়ি। আগুনের পাশে এলাচদানার ঘ্রাণহরিণের পাশে
হে কলম, উদ্ধত হ’য়ো না, নত হও, নত হতে শেখো,তোমার উদ্ধত আচরনে চেয়ে দ্যাখো, কী যে দু:খপেয়েছেন ভদ্রমহোদয়গণ, অতএব, নত
তুমি যে-সব ভুল করতে সেগুলো খুবই মারাত্মক ছিল। তোমার কথায় ছিল গেঁয়ো টান, অনেকগুলো শব্দের করতে ভুল উচ্চারণ: ‘প্রমথ চৌধুরী’কে
চৈত্রের এক মধ্যরাতেবুকের কপাট খুলে দু’বাহু বাড়িয়েআমি অপেক্ষা করছিলামকোনো এক নারীর জন্যে…কৃষিজমিতে দাঁড়িয়েযে রকম অপেক্ষা করে উন্মুখ কৃষকফসল-ফলানো বৃষ্টির জন্যে—আমি
জীবন একটি নদীর নাম,পিতামাতার ঐ উঁচু থেকেনেমে-আসা এক পাগলা ঝোরা—ক্রমশ নিম্নাভিমুখী;পাথুরে শৈশব ভেঙেকৈশোরের নুড়িগুলি বুকে নিয়েবয়ে চলা পরিণামহীনএক জলধারা—গাঙ্গেয় ব-দ্বীপে
খররৌদ্রময় এই দিন—শ্যামল বাংলায় বুঝি ফের নেমে আসে খরা!খরতাপে রুদ্ধশ্বাসক্ষুদ্র এই গ্রামীণ শহর,এ রকম এই দিনে চেতনায়ও খরার প্রদাহ—নির্বাচনে হেরে-যাওয়া
নগর বিধ্বস্ত হ’লে, ভেঙ্গে গেলে শেষতম ঘড়িউলঙ্গ ও মৃতদের সুখে শুধু ঈর্ষা করা চলে।‘জাহাজ, জাহাজ’ – ব’লে আর্তনাদ সকলেই করি
যাও পত্রদূত, বোলো তার কানে-কানে মৃদু স্বরেসলজ্জ ভাষায় এই বার্তা: “কোমল পাথর, তুমিসুর্যাস্তের লাল আভা জড়িয়ে রয়েছো বরতনু;প্রকৃতি জানে না