মনে পড়ে সুদূরের মাস্তুল
পেছনে তাকালে কেন মূক হয়ে আসে ভাষা !মনে পড়ে সেই সব দুপুরের জলাভূমি,সেই সব বেতফল, বকুল কুড়ানো ভোর,আহা সেই রাঙাদির […]
পেছনে তাকালে কেন মূক হয়ে আসে ভাষা !মনে পড়ে সেই সব দুপুরের জলাভূমি,সেই সব বেতফল, বকুল কুড়ানো ভোর,আহা সেই রাঙাদির […]
তোমাকে পারিনি ছুঁতে, তোমার তোমাকে-উষ্ণ দেহ ছেনে ছেনে কুড়িয়েছি সুখ,পরস্পর খুড়ে খুড়ে নিভৃতি খুঁজেছি।তোমার তোমাকে আমি ছুঁতে পারি নাই। যেভাবে
কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত,রাখালেরা পুনর্বার বাশিঁতে আঙুল রেখেরাখালিয়া বাজাবে বিশদ।কথা ছিলো বৃক্ষের সমাজে কেউ কাঠের বিপনি খুলে
এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে বসে আছি।শুন্যতার দিকে চোখ, শুন্যতা চোখের ভেতরও–এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে বসে আছি।বিলুপ্ত বনস্পতির ছায়া,
সেই ঝরঝর করে আকাশে ব্যালেরিনারাবাঙলার ঘাসের স্টেজে নরম নদীর কার্পেটে নামেটাপুর টুপুর খিলখিল করে নেচে খেলেসমস্ত দুপুর সকাল বিকেল কখনো
আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে–মোর মুখ হাসে মোর চোখ হাসে মোর টগবগিয়ে খুন হাসেআজ সৃষ্টি-সুখের উল্লাসে। আজকে আমার রুদ্ধ প্রাণের পল্বলে
বেয়নেট হোক যত ধারালো—কাস্তেটা ধার দিয়ো, বন্ধু!শেল আর বম হোক ভারালোকাস্তেটা শান দিয়ো, বন্ধু।নতুন চাঁদের বাঁকা ফালিটিতুমি বুঝি খুব ভালোবাসতে
আমরা তো অল্পে খুশি,কী হবে দুঃখ করে?আমাদের দিন চলে যায়সাধারণ ভাতকাপড়ে। চলে যায় দিন আমাদেরঅসুখে ধারদেনাতেরাত্তিরে দুভায়ে মিলেটান দিই গঞ্জিকাতে।
আমরা এসেছি।আমরা এসেছি ।আমরা এসেছি ॥আমরা সময়ের সন্তানআমরা এসেছি।আমরা তামাটে জাতিআমরা এসেছি।আমরা তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা,প্রীতিলতার চট্টলা।আমরা এসেছি।আমরা বায়ান্নের অগ্নি পুরুষবাংলা
আগুন, বিদ্রোহ করি, সুতীক্ষ্ণ হাতিয়ারে শত্রুকে ছাটাই,মরচে-পড়া খোস্তা আর কোদাল কান্তে দুর্গমে শানাইআসুন, জনতা আজ বাঁধভাঙ্গা রক্তের তুলছে জোয়ার,ক্রমশ সামনে