কথোপকথন -৩৪
– বল তো কত বয়স হল তার?– কার?– যার মাথাভর্তি সবুজ দেবদারু চুলযার টলমলে পা কেবল ভুল পথের কাঁটারউপরেযার সমস্ত […]
– বল তো কত বয়স হল তার?– কার?– যার মাথাভর্তি সবুজ দেবদারু চুলযার টলমলে পা কেবল ভুল পথের কাঁটারউপরেযার সমস্ত […]
-লোকে বলে শুনি সেলায়ে তোমার পাকা হাতছুঁচ দিয়ে লেখ কবিতা। -গোয়েন্দা নাকি আমার যা কিছু লুকানোজানতে হবে কি সবই তা?
-নন্দিনী! আমার খুব ভয় করে ,বড় ভয় করে!কোনও একদিন বুঝি জ্বর হবে ,দরজা দালান ভাঙ্গা জ্বরতুষার পাতের মত আগুনের ঢল
তোমাকে বাজাইসমুদ্র-শাঁখ তুমিগাছে ফুল আসেফুলেরা কিশোরী হয় ।ডালপালাগুলো সবুজ পাতার খামেচিঠি লিখে লিখেপ্রেম নিবেদন করে ।ফ্রক ছেড়ে শাড়ি পরেসমগ্র বনভূমি
ব’সে ব’সে অঙ্ক ক’ষে পারি নে আর ভাই,কিছুতে আর অ্যানসারটা মিলছে না যে ছাই।যোগ ক’রে মিলল না যখন,বিয়োগ ক’রে দেখনু
মৌমাছি, মৌমাছিকোথা যাও নাচি নাচিদাঁড়াও না একবার ভাই। ওই ফুল ফোটে বনেযাই মধু আহরণেদাঁড়াবার সময় তো নাই। ছোট পাখি, ছোট
বাড়ছে দামঅবিরামচালের ডালের তেলের নুনেরহাঁড়ির বাড়ির গাড়ির চুনেরআলু মাঙ্গা বালু মাঙ্গা,কাপড় কিনতে লাগে দাঙ্গা,উঠছে বাজার হু-হু করে সব কিছুর-আঁকের শাকের
যতক্ষণ তুমি কৃষকের পাশে আছো,যতক্ষণ তুমি শ্রমিকের পাশে আছো,আমি আছি তোমার পাশেই।যতক্ষণ তুমি মানুষের শ্রমে শ্রদ্ধাশীলযতক্ষণ তুমি পাহাড়ী নদীর মতো
গতকাল ছিল কালো-লালে মেশাএকটি অদ্ভুত টুনটুনি ।লাফাচ্ছিল ডাল থেকে ডালে,পাতার আড়ালে, ফুল থেকে ফুলে । তার সোনামুখী ঠোঁট, যেনকলমের ডগায়
ফুলের মতো দেয়ালটাতেএকটি প্রজাপতি,দুঃসাহসে বসলো এসেআলোর মুখোমুখি;চিত্রিত নয় কালো রঙেরপাখনা দু’টি মেলে ।এবার বুঝি এলে ? দেয়াল জুড়ে লাগল তারঘরে