বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়
সারারাত নূর হোসেনের চোখে এক ফোঁটা ঘুমওশিশিরের মতো জমেনি, বরং তার শিরায় শিরায়জ্বলেছে আতশবাজি সারারাত, কী একভীষণ বিস্ফোরণ সারারাত জাগিয়ে […]
সারারাত নূর হোসেনের চোখে এক ফোঁটা ঘুমওশিশিরের মতো জমেনি, বরং তার শিরায় শিরায়জ্বলেছে আতশবাজি সারারাত, কী একভীষণ বিস্ফোরণ সারারাত জাগিয়ে […]
এরকম বাংলাদেশ কখনো দেখনি তুমি,মূহুর্তে সবুজ ঘাস পুড়ে যায়,ত্রাসের আগুন লেগে লাল হয়ে জ্বলে উঠে চাঁদ।নরম নদীর চর হা-করা কবর
মানুষেরা নাকি এক সেকেন্ডে চার ফুট হাঁটতে পারে সাধারণত বারো কোটি মানুষ আমরাআমরা সবাই একসঙ্গে হাঁটলে মোট আটচল্লিশ কোটি ফুটঅর্থাৎ
বারবারাভিয়েতনামের উপর তোমার অনুভূতির তরজমা আমি পড়েছি-তোমার হৃদয়ের সুবাতাসআমার গিলে-করা পাঞ্জাবিকে মিছিলে নামিয়েছিলপ্রাচ্যের নির্যাতিত মানুষগুলোরজন্যে অসীম দরদ ছিল সে লেখায়আমি
কবিতায় আর কি লিখব?যখন বুকের রক্তে লিখেছিএকটি নামবাংলাদেশ। গানে আর ভিন্ন কি সুরের ব্যঞ্জনা?যখন হানাদারবধ সংগীতেঘৃণার প্রবল মন্ত্রে জাগ্রতস্বদেশের তরুণ
রক্তচোখের আগুন মেখে ঝলসে-যাওয়াআমার বছরগুলোআজকে যখন হাতের মুঠোয়কণ্ঠনালীর খুন পিয়াসী ছুরি,কাজ কি তবে আগলে রেখে বুকের কাছেকেউটে সাপের ঝাঁপি !আমার
‘হল্ট’ বলে হুঙ্কার ছেড়েই যম সামনে খাড়া।লোমশ কর্কশ হাত ঢুকে গেলো প্যান্টের পকেটেকিছু পয়সা দুটি ফুল সুতোর বান্ডিল অতঃপরভারী হাতে
শেকলে বাঁধা শ্যামল রূপসী, তুমি-আমি, দুর্বিনীত দাসদাসী-একই শেকলে বাঁধা প’ড়ে আছি শতাব্দীর পর শতাব্দী।আমাদের ঘিরে শাঁইশাঁই চাবুকের শব্দ, স্তরে স্তরে
সভ্যতার মণিবন্ধে সময়ের ঘড়িশিশুর জন্ম থেকে জরাদেহ ক্ষীণশ্বাস মানবের অবলুপ্তির সীমারেখায়বলে গেল সেই কথা। সেই কথা বলে গেল অনর্গল– তপ্তশ্বাস
আকাশের ওপারে আকাশ,তার ওপরে মেঘ,মেঘের মধ্যে বাড়ি—৩২ নম্বর মেঘমহল।৩২ নম্বরের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আপনি।আপনার গায়ে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি,চোখে কালো মোটা ফ্রেমের