যেন বলে ওঠে
আসলে কথারা সব বিলুপ্ত পাখির ঠোঁটে শিলালিপি হয়ে আছেআসলে কথারা সব নিঃশেষে মুছে গেছে আলোকবর্ষ দূরেতারাহীন নীল অন্ধকারেআসলে কথারা এসে […]
আসলে কথারা সব বিলুপ্ত পাখির ঠোঁটে শিলালিপি হয়ে আছেআসলে কথারা সব নিঃশেষে মুছে গেছে আলোকবর্ষ দূরেতারাহীন নীল অন্ধকারেআসলে কথারা এসে […]
খেলাঘর পাতা আছে এই এখানে,স্বপ্নের ঝিকিমিকি আঁকা যেখানে।এখানে রাতের ছায়া ঘুমের নগর,চোখের পাতায় ঘুম ঝরে ঝরঝর।এইখানে খেলাঘর পাতা আমাদের,আকাশের নীল
এই যে নদীনদীর জোয়ারনৌকা সারে সারে,একলা বসে আপন মনেবসে নদীর ধারেএই ছবিটি চেনা৷মনের মধ্যে যখন খুশিএই ছবিটি আঁকিএক পাশে তার
কে আর বুঝিবে হায় এ দেশের বাণী?এ দেশের লোক যারা,সকলইতো গেছে মারা,আছে শুধু কতগুলি শৃগাল শকুনি!সে কথা ভাবিতে হায়এ প্রাণ
কে ওই শোনাল মোরে আযানের ধ্বনি।মর্মে মর্মে সেই সুর, বাজিল কি সুমধুরআকুল হইল প্রাণ, নাচিল ধমনী।কি মধুর আযানের ধ্বনি!আমি তো
“সুখ সুখ” বলে তুমি, কেন কর হা-হুতাশ,সুখ ত পাবে না কোথা, বৃথা সে সুখের আশ !পথিক মরুভূ মাঝে খুঁজিয়া বেড়ায়
( ১ )কে তুমি? — কে তুমি?ওগো প্রাণময়ী,কে তুমি রমণী-মণি!তুমি কি আমার, হৃদি-পুষ্প-হারপ্রেমের অমিয় খনি!কে তুমি রমণী-মণি? ( ২ )কে
১আঁধারে এসেছি আমিআধারেই যেতে চাই !তোরা কেন পিছু পিছুআমারে ডাকিস্ ভাই !আমিতো ভিখারী বেশেফিরিতেছি দেশে দেশেনাহি বিদ্যা, নাহি বুদ্ধিগুণ তো
হে পান্থ, কোথায় যাও কোন্ দূরদেশেকার আশে? সে কি তোমা করিছে আহ্বান?সম্মুখে তামসী নিশা রাক্ষসীর বেশেশোন না কি চারিদিকে মরণের
একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়েলক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছেভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান