কফিন কাহিনী
চারজন দেবদূত এসে ঘিরে আছে একটি কফিন একজন বললো দেখো ভিতরে রঙিন রক্তমাখা জামা ছিলো হয়ে গেছে ফুলচোখ দুটি মেঘে মেঘে ব্যথিত […]
চারজন দেবদূত এসে ঘিরে আছে একটি কফিন একজন বললো দেখো ভিতরে রঙিন রক্তমাখা জামা ছিলো হয়ে গেছে ফুলচোখ দুটি মেঘে মেঘে ব্যথিত […]
আমরা বাহান্নতে মরেছি দলে দলে, আমরা একাত্তরে মরেছি ঝাঁকে ঝাঁকে, আমরা পঁচাত্তরে মরেছি সপরিবারে। প্রতিটি মৃত্যুর পর আমরা আবার জেগে উঠেছি, যেভাবে জেগে
বাংলা ভাষার বিশিষ্ট দুই আবৃত্তি শিল্পী এবার একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন। তারা হলেন খান মো. মুস্তফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তফা) ও
“কুমড়ো ফুলে ফুলেনুয়ে পড়েছে লতাটা,সজনে ডাঁটায়ভরে গেছে গাছটা,আর, আমি ডালের বড়িশুকিয়ে রেখেছি—খোকা তুই কবে আসবি!কবে ছুটি?” চিঠিটা তার পকেটে ছিল,
ফাগুন এলেই একটি পাখি ডাকেথেকে থেকেই ডাকেতাকে তোমরা কোকিল বলবে? বলো।আমি যে তার নাম রেখেছি আশানাম দিয়েছি ভাষা,কতো নামেই ‘তাকে’
ওরা আমার মুখের কথাকাইড়া নিতে চায় ।ওরা কথায় কথায় শিকল পরায়আমার হাতে-পায় ।। কইতো যাহা আমার দাদায়কইছে তাহা আমার বাবায়এখন,
একুশ মানেই আসছেসালাম ফিরে আসছে, বরকত ফিরে আসছেতাজুল ফিরে আসছে….একুশ মানেই মুক্তিযুদ্ধ ফিরে আসছেসেই সাহসে বুক-পেতে-দেয়া তারুণ্য ফিরে আসছেতারুণ্যের চোখে
ভিতরমহলে খুব চুনকাম, কৃষ্ণচূড়াএই তো ফোটার আয়োজনবাড়িঘর কী রকম যেন তাকে হলুদ অভ্যাসবশে চিনি,হাওয়া একে তোলপাড় করে বলে, একুশের ঋতু!ধীরে
স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু,আমরা এখনোচারকোটি পরিবারখাড়া রয়েছি তো । যে-ভিৎ কখনো কোনো রাজন্যপারেনি ভাঙতেহীরের মুকুট নীল পরোয়ানা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারিআমি কি ভুলিতে পারিছেলেহারা শত মায়ের অশ্রু ঝরা এ ফেব্রুয়ারিআমি কি ভুলিতে পারিআমার সোনার দেশের