ঈশ্বরকে ইভ
আমিই প্রথম জেনেছিলাম উত্থান যা তারই ওপিঠ অধঃপতন! আলোও যেমন কালোও তেমন তোমার সৃজন জেনেছিলাম আমিই প্রথম। তোমায় মানা বা […]
আমিই প্রথম জেনেছিলাম উত্থান যা তারই ওপিঠ অধঃপতন! আলোও যেমন কালোও তেমন তোমার সৃজন জেনেছিলাম আমিই প্রথম। তোমায় মানা বা […]
অপমানের জন্য বার বার ডাকেন ফিরে আসি আমার অপমানের প্রয়োজন আছে! ডাকেন মুঠোয় মরীচিকা রেখে মুখে বলেন বন্ধুতার_বিভূতি__ আমার মরীচিকার
আমি সেই মেয়েটিসেই মেয়ে যার জন্মের সময় কোন শাঁখ বাজেনি।জন্ম থেকেই যে জ্যোতিষীর ছকে বন্দীযার লগ্ন রাশি রাহু কেতুর দিশা
একটি ছেলে রোজ তার শাটের বোতাম হারিয়ে ফিরে আসতো বাড়ি আর একটি মেয়ে তার সুঁই সুতোয় লাগিয়ে দিতো আরেকটি নতুন
নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল,তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল,গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান,কাষ্ঠ, দগ্ধ হয়ে,
বিজ্ঞ দার্শনিক এক আইল নগরে,ছুটিল নগরবাসী জ্ঞান-লাভ তরে;সুন্দর-গম্ভীর-মূর্তি, শান্ত-দরশন,হেরি সবে ভক্তি ভরে বন্দিল চরণ।সবে কহে, “শুনি, তুমি জ্ঞানী অতিশয়,দু’একটি তত্ত্ব-কথা
বাবুই পাখিরে ডাকি, বলিছে চড়াই-“কুঁড়ে ঘরে থেকে কর শিল্পের বড়াই;আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা ‘পরে,তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে।”
আমাদের ছোটো গাঁয়ে ছোটো ছোটো ঘরথাকি সেথা সবে মিলে কেহ নাহি পর।পাড়ার সকল ছেলে মোরা ভাই ভাইএকসাথে খেলি আর পাঠশালে
শাহানা, তুমি গোলাপী জামা প’রে জীবন্ত গোলাপের মতোক্যাম্পাসে এসো না, আমার খারাপ লাগে। সখী পরিবৃতা হয়ে মোগল-দুহিতার মতোকরিডোরে অমন ক’রে
আমার একটা কদম বৃক্ষ আছে!আমি তাকে নীপ বলে ডাকি।আইনত গাছটা আমার নয়,আমি ঠিক তার পাশের বাসায় থাকি! কিন্তু তাকে ডেকে