আজিকার শিশু
আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলাতোমরা এ যগে সেই বয়সেই লেখাপড়া কর মেলা।আমরা যখন আকাশের তলে ওড়ায়েছি শুধু ঘুড়িতোমরা […]
আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলাতোমরা এ যগে সেই বয়সেই লেখাপড়া কর মেলা।আমরা যখন আকাশের তলে ওড়ায়েছি শুধু ঘুড়িতোমরা […]
তোমায় আমি দেখেছিলাম বলেতুমি আমার পদ্মপাতা হলে;শিশির কণার মতন শূন্যে ঘুরেশুনেছিলাম পদ্মপত্র আছে অনেক দূরেখুঁজে খুঁজে পেলাম তাকে শেষে। নদী
তুমি তা জানো না কিছু, না জানিলে-আমার সকল গান তবুও তোমারে লক্ষ্য ক’রে!যখন ঝরিয়া যাব হেমন্তের ঝড়ে,পথের পাতার মতো তুমিও
আমাকে একটি কথা দাও যা আকাশের মতোসহজ মহৎ বিশাল,গভীর; – সমস্ত ক্লান্ত হতাহত গৃহবলিভুকদের রক্তেমলিন ইতিহাসের অন্তর ধুয়ে চেনা হাতের
এই জল ভালো লাগে; বৃষ্টির রূপালি জল কত দিন এসেধুয়েছে আমার দেহ — বুলায়ে দিয়েছে চুল — চোখের উপরেতার শান
একদিন মনে হতো জলের মতন তুমি।সকালবেলার রোদে তোমার মুখের থেকে বিভা–অথবা দুপুরবেলা — বিকেলের আসন্ন আলোয়–চেয়ে আছে — চলে যায়
আবার বছর কুড়ি পরে তার সাথে দেখা যদি হয়আবার বছর কুড়ি পরে-হয়তো ধানের ছড়ার পাশেকার্তিকের মাসে-তখন সন্ধ্যার কাক ঘরে ফেরে-
পেঁচার ধূসর পাখা উড়ে যায় নক্ষত্রের পানে-জলা মাঠ ছেড়ে দিয়ে চাঁদের আহবানেবুনো হাঁস পাখা মেলে- শাঁই শাঁই শব্দ শুনি তার;এক-দুই-তিন
একদিন কুয়াশার এই মাঠে আমারে পাবে না কেউ খুঁজে আর, জানি;হৃদয়ের পথ চলা শেষ হল সেই দিন -গিয়েছে যে শান
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,সিংহল সমুদ্র থেকে আরো দূর অন্ধকারে মালয় সাগরেঅনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর