সাঁঝের মায়া
অনন্ত সূর্যাস্ত-অন্তে আজিকার সূর্যাস্তের কালেসুন্দর দক্ষিণ হস্তে পশ্চিমের দিকপ্রান্ত-ভালেদক্ষিণা দানিয়া গেল, বিচিত্র রঙের তুলি তার_বুঝি আজি দিনশেষে নিঃশেষে সে করিয়া […]
অনন্ত সূর্যাস্ত-অন্তে আজিকার সূর্যাস্তের কালেসুন্দর দক্ষিণ হস্তে পশ্চিমের দিকপ্রান্ত-ভালেদক্ষিণা দানিয়া গেল, বিচিত্র রঙের তুলি তার_বুঝি আজি দিনশেষে নিঃশেষে সে করিয়া […]
প্রসন্ন প্রভাতে আজি যাত্রা শুরু কর হে কাফেলা!সম্মুখে আলোকদীপ্ত বেলা।দূর পথ প্রসারিত, দিকে দিকে চঞ্চল জীবন।আঁধার নির্মোক হতে কর উন্মোচনগতিময়
কাল কভু চুপ নাহি রয়,কথা কয়, সে যে কথা কয়।সে আবার জেগে ওঠে প্রত্যহের জীবন-স্পন্দনে;সে দুর্বার প্রাণবেগে বেঁচে ওঠে নিত্যের
অন্তর তৃষা মিটাতে এনেছে মমতার মধু-সুধা?রিক্তের প্রাণ ভরিবে কি আজ পুণ্যের আশ্বাসে?অবহেলিতেরে ডেকে নেবে ঘরে, তাদের দীর্ঘশ্বাসে।ব্যথিত মনের সম বেদনায়
অনেক কথার গুঞ্জন শুনিঅনেক গানের সুরসবচেয়ে ভাল লাগে যে আমার‘মাগো’ ডাক সুমধুর।আমার দেশের মাঠের মাটিতেকৃষাণ দুপুরবেলাক্লান্তি নাশিতে কন্ঠে যে তারসুর
সবুজ পাতার খামের ভেতরহলুদ গাঁদা চিঠি লেখেকোন্ পাথারের ওপার থেকেআনল ডেকে হেমন্তকে? আনল ডেকে মটরশুঁটি,খেসারি আর কলাই ফুলেআনল ডেকে কুয়াশাকেসাঁঝ
ইতল বিতল গাছের পাতাগাছের তলায় ব্যাঙের মাথা।বৃষ্টি পড়ে ভাঙ্গে ছাতাডোবায় ডুবে ব্যাঙের মাথা।
তুলি দুই হাত করি মোনাজাতহে রহিম রহমানকত সুন্দর করিয়া ধরণীমোদের করেছ দান, গাছে ফুল ফলনদী ভরা জলপাখির কন্ঠে গানসকলি তোমার
গোল করো না গোল করো নাছোটন ঘুমায় খাটে।এই ঘুমকে কিনেত হলনওয়াব বাড়ির হাটে।সোনা নয় রুপা নয়দিলাম মোতির মালাতাইতো ছোটন ঘুমিয়ে
হে কবি! নীরব কেন-ফাল্গুন যে এসেছে ধরায়,বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?কহিল সে স্নিগ্ধ আঁখি তুলি-দখিন দুয়ার গেছে