বালিকা ও আমি
বালিকা ফুল ভালোবাসে। আমি ভালোবাসি প্রজাপতি, পাখার রঙিন ঢেউ, সোনালি রেণু- বালিকা চঞ্চল হয়, হাওয়ায়-হাওয়ায় ওড়ে পাহাড়ে, সবুজ ঘাসের নিচে […]
বালিকা ফুল ভালোবাসে। আমি ভালোবাসি প্রজাপতি, পাখার রঙিন ঢেউ, সোনালি রেণু- বালিকা চঞ্চল হয়, হাওয়ায়-হাওয়ায় ওড়ে পাহাড়ে, সবুজ ঘাসের নিচে […]
ভিড়ের মধ্যে নিজেকে মৃত দেখলামএক লাশ, যে আমাকে বলতে বলল:ভালো আছিবয়সের তুলনায় বড়বেশি ভালো আছিরফা করছি খাদ্য ও পানীয়ের সঙ্গে,নির্বাসন
আমার স্বদেশ নেইআমি হাওয়া হতে পারিআমি মেঘ হতে পারিআমি চাঁদ-সূর্য থেকে শুরু করেমানচিত্রহীন সব হতে পারিহতে পারি এক পাখিহাঁস অথবা
কণ্ঠলগ্ন সাপ তুমি বেড়ে উঠো ধীরেবয়স বাড়ার মতো,লতায় পাতায় ঢাকো গেরুয়া জমিন জোড়া বৃক্ষের আকার—ঢাকো দিন, রাত-দিন একাকার করে দাও
আমি তাঁকে দেখার জন্য ১৯২০ সালে টুঙ্গিপাড়া গিয়েছিলামপ্রাণময় উজ্জ্বল দিনটি ছিলো মার্চ মাসের ১৭ তারিখমধুমতীর খুব তাড়া ছিলো ব’লে জোর
তোমাকে ভালোবাসবো ব’লে মাছরাঙা ধ’রেরেখেছিলাম খাঁচায়, আশায় একটি কৃষ্ণচূড়া পুঁতেছিলাম টবেচুম্বনো ভরাবো ঠোঁট — ডানায় কী ডালেশক্তপোক্ত ঋতুবাস হবেমঞ্জুমালা তুমি
: এই যে শুনছেন -: আমাকে বলছেন? : আপনি ছাড়া তো আর কাউকে দেখছি না এখানে। -: দেখা বিষয়টা আপেক্ষিক।
ছেলেঃ এই যে শুনছেন?মেয়েঃ আপনি! কি সৌভাগ্য আমার। মেঘ না চাইতেই জল! আপনি তো বলেছিলেন, আপনাকে খুঁজে পাওয়ার জন্য, পথের
নারীপাঠঃ আপনি যখন আমার সামনে ওর গল্প করেন,মাঝে মাঝে হো হো করে হাসেন, দেখে আমার কষ্ট হয়। শুনেছি এক সাথে
শ্রাবণের বৃষ্টিতে ভিজে যায় প্রসন্ন বিকেলভিজে যায় বৃক্ষের বুক, অপরাজেয় বাংলারতিন মূর্তিমান প্রতীক, কলাভবনের শরীরতখন করিডোরে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে…