মুকুট
এখন পাকুড়গাছে সম্পূর্ণ নূতন পাতা, তার সঙ্গে বিবাহিত এইবটগাছে লাল লাল ফল ফলে আছে।চারিদিকে চিরকাল আকাশ থাকার কথা,আছে কিনা আমি […]
এখন পাকুড়গাছে সম্পূর্ণ নূতন পাতা, তার সঙ্গে বিবাহিত এইবটগাছে লাল লাল ফল ফলে আছে।চারিদিকে চিরকাল আকাশ থাকার কথা,আছে কিনা আমি […]
চাদেঁর গুহার দিকে নির্নিমেষে চেয়ে থাকি, মেঝের উপরেদাড়িয়েঁ রয়েছে চাঁদ, প্রকাশ্য দিনের বেলা, স্পষ্ট দেখা যায়চাদেঁর গুহার দিকে নির্নিমেষে চেয়ে
কী ভালো আমার লাগলো আজ এই সকালবেলায়কেমন করে বলি।কী নির্মল নীল এই আকাশ, কী অসহ্য সুন্দর,যেন গুণীর কণ্ঠের অবাধ উন্মুক্ত
কোথায় চলেছো? এদিকে এসো না! দুটোকথা শোন দিকিএই নাও- এই চকচকে ছোটো, নুতন রূপোর সিকিছোকানুর কাছে দুটো আনি আছে, তোমারে
১ বর্ষে বর্ষে এসো যাও এ বাঙ্গালা ধামেকে তুমি ষোড়শী কন্যা, মৃগেন্দ্রবাহিনি?চিনিয়াছি তোরে দুর্গে, তুমি নাকি ভব দুর্গে,দুর্গতির একমাত্র সংহারকারিণী
১ মরুভূমি মাঝে যেন, একই কুসুম,পূর্ণিত সুবাসে।বরষার রাত্রে যেন, একই নক্ষত্র,আঁধার আকাশে ||নিদাঘ সন্তাপে যেন, একই সরসী,বিশাল প্রান্তরে।রতন শোভিত যেন,
এই মধুমাসে, মধুর বাতাসে,শোন লো মধুর বাঁশী।এই মধু বনে, শ্রীমধুসূদনে,দেখ লো সকলে আসি ||মধুর সে গায়, মধুর বাজায়,মধুর মধুর ভাষে।মধুর
মানুষ তো ডাহুক নয় অথচ ডাহুকের বেদনারভেতরে মানুষ ডুবে যেতে পারে, ডুব দেয়চিরকাল- এইভাবে মানুষের ডাহুকী ভাবনামূত্ররসে যেমন ভেসে যায়
এই যে তুমি বার বার চলে যাই বলোধরো তুমি চলে গেছোখানিকক্ষণ পর ফিরে এসে যদি দেখোকষ্টে ভিজে যাচ্ছে আমার বুকআমার
কন্যা সন্তান প্রসব করার অপরাধেআসামের যে মেয়েটাকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল ?আজ তার মৃত্যু বার্ষিকী।যে কবি সেদিন তার নিরানব্বইতম কবিতাটিমেয়েটাকে উৎসর্গ