কবি
আমার শৈশবে নাকি মাকে ডেকে বলেছিলো ময়াজ ফকির:সেরেক বিন্নির সাথে নবান্নের ক্ষীররেঁধে শিন্নি দিবি খুশিমনে বাবার দরগায়;সেখানে যে আধল্যাংটা পাগলাটা […]
আমার শৈশবে নাকি মাকে ডেকে বলেছিলো ময়াজ ফকির:সেরেক বিন্নির সাথে নবান্নের ক্ষীররেঁধে শিন্নি দিবি খুশিমনে বাবার দরগায়;সেখানে যে আধল্যাংটা পাগলাটা […]
অসময়ে মেহমানঘরে ঢুকে বসে যানবোঝালাম ঝামেলারযতগুলো দিক আছেতিনি হেসে বললেনঠিক আছে ঠিক আছে । রেশনের পচা চালটলটলে বাসি ডালথালাটাও ভাঙা-চোরাবাটিটাও
আকাশটা হেসে ওঠে শিশুদের হাসিমুখ দেখেসন্ধ্যার মেঘমালা সেই হাসি গায়ে নেয় মেখে।সকালের সোনা রোদ নেচে ওঠে, গেয়ে ওঠে পাখিশিশুর হাসিকে
অমলকান্তি আমার বন্ধু,ইস্কুলে আমরা একসঙ্গে পড়তাম।রোজ দেরি করে ক্লাসে আসতো,পড়া পারত না,শব্দরূপ জিজ্ঞেস করলেএমন অবাক হয়ে জানলার দিকে তাকিয়ে থাকতো
শিম্পাঞ্জি, তোমাকে আজ বড় বেশি বিমর্ষ দেখলুমচিড়িয়াখানায়। তুমি ঝিলের কিনারে।দারুণ দুঃখিতভাবে বসে ছিলে। তুমিএকবারও উঠলে না এসে লোহার দোলনায়;চাঁপাকলা, বাদাম,
যেন কাউকে কটুবাক্য বলবার ভীষণপ্রয়োজন ছিল।কিন্তু না, তোমাকে নয়; কিন্তু না, তোমাকে নয়।যেন যত দুঃখ আমি পেয়েছি, এবারেচতুর্গুণ করে তাকে
বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখ দ্বিতীয় বিদ্যায়।বরং বিক্ষত হও প্রশ্নের পাথরে।বরং বুদ্ধির নখে শান দাও, প্রতিবাদ করো।অন্তত আর যাই করো,
সূর্য ডুবে যাবার পরহাসির দমকে তাদের মুখের চামড়া কুঁচকে গেল,গালের মাংস কাঁপতে লাগল,বাঁ চোখ বুঁজে, ডান হাতের আঙুল মটকেতারা বলল,“শত্রুরা
যা গিয়ে ওই উঠানে তোর দাঁড়া,লাউমাচাটার পাশে।ছোট্ট একটা ফুল দুলছে, ফুল দুলছে, ফুলসন্ধ্যার বাতাসে। কে এইখানে এসেছিল অনেক বছর আগে,কেউ
হঠাৎ হাওয়া উঠেছে এই দুপুরেআকাশী নীল শান্তি বুঝি ছিনিয়ে নিতে চায়।মালোঠিগাঁও বিমূঢ়, হতবাক।মেঘের ক্রোধ গর্জে ওঠে ঝড়ের ডঙ্কায়।এখনই এল ডাক।মন্দাকিনী