হলুদ আলোর কবিতা
দুয়ারে হলুদ পর্দা। পর্দার বাহিরে ধুধু মাঠআকাশে গৈরিক আলো জ্বলে।পৃথিবী কাঞ্চনপ্রভা রৌদ্রের অনলে শুদ্ধ হয়।কারা যেন সংসারের মায়াবী কপাটখুলে দিয়ে […]
দুয়ারে হলুদ পর্দা। পর্দার বাহিরে ধুধু মাঠআকাশে গৈরিক আলো জ্বলে।পৃথিবী কাঞ্চনপ্রভা রৌদ্রের অনলে শুদ্ধ হয়।কারা যেন সংসারের মায়াবী কপাটখুলে দিয়ে […]
হাতখানা যার শক্ত করেআঁকড়ে ধরে রেখেছিলাম,হঠাৎ কখন ছিটকে গিয়েএই মাঠে সে হারিয়ে গেছে! এখন তাকে খুঁজব কোথায়!কোত্থেকে যে কোন্খানে যায়নিরুদ্দিষ্ট
সবাই দেখছে যে, রাজা উলঙ্গ, তবুওসবাই হাততালি দিচ্ছে।সবাই চেঁচিয়ে বলছে; শাবাশ, শাবাশ!কারও মনে সংস্কার, কারও ভয়-কেউ-বা নিজের বুদ্ধি অন্য মানুষের
ভয় নেইআমি এমনব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনীগোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়েমার্চপাস্ট করে চলে যাবেএবং স্যালুট করবেকেবল তোমাকে প্রিয়তমা।ভয় নেই, আমি এমন ব্যবস্থা
ভোরের আলো এসে পড়েছে ধ্বংসস্তুপের উপররেস্তোরাঁ থেকে যে ছেলেটা রোজপ্রাতঃরাশ সাজিয়ে দিতো আমার টেবিলেতে-রাস্তার মোড়ে তাকে দেখলাম শুয়ে আছে রক্তাপ্লুত
চেয়ার, টেবিল, সোফাসেট, আলমারিগুলো আমার নয়গাছ, পুকুর, জল, বৃষ্টিধারা শুধু আমারচুল, চিবুক, স্তন, ঊরু আমার নয়,প্রেমিকের ব্যাকুল অবয়বগুলো আমার রাষ্ট্রপ্রধান
অন্য একবার, উদ্দাম সমুদ্রে, ঝোড়ো আবহাওয়ায়একটি নিমজ্জমান জাহাজের ডকে দাঁড়িয়ে দেখেছিঅপসৃয়মাণ উপকূলে,তিমিরে আচ্ছন্ন,একটি অচেনা পাহাড়ের সানুদেশে,আমার মা’র কপালের টিপের মতনআমার
বাঘ কিংবা ভালুকের মতো নয়,বঙ্গোপসাগর থেকে উঠে আসা হাঙরের দল নয়না, কোনো উপমায় তদের গ্রেপ্তার করা যাবে নাতাদের পরনে ছিল
হে নবীনা, এই মধ্য-ম্যানহাটানে বাতাসের ঝাপটায়তোমার হঠাৎ খুলে যাওয়া উদ্দাম চুলআমার বুকের ‘পর আছড়ে পড়লোচিরকালের বাংলার বৈশাখের ঝঞ্ঝার মতন। তোমার
তুমি গান গাইলে,লক্ষ লক্ষ কিলোয়াটের বাল্বের মতোজুঁই, চামেলি চন্দ্রমল্লিকা জ্বলে উঠলো না তুমি গান গাইলে,ব্যারাকে-ব্যারাকে বিউগল্ বেজে উঠলোসেনাবাহিনীর কুচকাওয়াজ থামলো